বাংলাদেশের বিস্তৃত উপকূলীয় অঞ্চলে সূচনা হয়েছে এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী প্রযুক্তিগত বিপ্লব। সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনমি’ জোরদারে প্রথাগত মৎস্য আহরণ পদ্ধতির বদলে জায়গা করে নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)। এতে যেমন গভীর সমুদ্রে জেলেদের সুরক্ষা বাড়ছে, তেমনি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে সামগ্রিক মৎস্য উৎপাদন।
স্মার্ট ফিশিং ও জিপিএস ট্র্যাকিং: ড্রোনের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট এলাকা পর্যবেক্ষণ করে মাছের অবস্থান ও বিচরণের নিখুঁত মানচিত্র তৈরি করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম উপগ্রহের তথ্যের সাথে পানির তাপমাত্রা ও প্রবাহ বিশ্লেষণ করে জেলেদের সরাসরি জানিয়ে দিচ্ছে কোন অঞ্চলে জাল ফেললে বেশি মাছ মিলবে।
বিপদ সংকেত ও জেলেদের সুরক্ষা: আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন বা ঝড়ের পূর্বাভাস এখন AI-চালিত সেন্সরের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বোটগুলোতে পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে জরুরি মুহূর্তে সমুদ্রে নিখোঁজ ট্রলার সনাক্তকরণ ও উদ্ধার অভিযান চালানো অনেক সহজ হয়েছে।